Cooch behar rajbari কোচবিহারের রাজপরিবারের শেষ

Cooch behar rajbari

কম্প দেখতাম কিছুদিনে সাপখে ভারতব কোচবিহু করতে হবে । বর্তমানে কি হচ্ছে , আগামী দিনে কি হবে এই ভয়ে ভীত হলে চলবেনা । ভবিতব্যকে মেনে নিয়ে দৃঢ়ভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে । তাহতাে । শিকারেওযেমন সাহস দেখিয়েছেন , প্রেমেও যাকে ভালবেসেছেন তাকে প্রাণ দিয়ে ভালবেসেছেন , টলাতে পারেনি নিজের পরিবার , ভীত ছিলেননা দ্বিতীয়বার বিয়ে করা স্বামীকে ভালবেসে ।

Cooch behar rajbari

ভয় পান নি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে ভােটে লড়ে দেখিয়েছেন , সেখানেও গ্রীনিচ বুকে নাম তার । এমনই এক ব্যক্তিত্বময়ী Cooch behar rajbari কোচবিহারের রাজকুমারীর প্রয়াণে রাজপ্রাসাদে মানুষের ঢল তাে নামবেই , শােকে পাথর হয়ে যাবে কোচবিহার শহর । কোচবিহারের রাজপরিবারের শেষ সলতেটুকু নিভে গেল এই সেদিন ২০০৯ এর ২৯ জুলাই । অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যাপারেও তার চোখ এড়িয়ে যেতােনা । মনে আছে । একবার কোচবিহারে এসে দেখেন , মদনমােহন মন্দির শ্বেতশুভ্র রঙের বদলে অন্য রঙে সাজিয়েছেন , সম্মুখে দুটি কৃত্রিম আলােকউজ্জ্বল নারকেল গাছ লাগিয়েছেন ,

Cooch behar rajbari DeKhao

Cooch behar rajbari

সেই দেখে গায়ত্রী বিরক্ত হন । দেখা যায় পরবর্তীতে মদনমােহন মন্দির সাদা রঙ হলেও কৃত্রিম নারকেল গাছ দুটি অপসারণ করা হয়নি । মদনমােহন মন্দির সংলগ্ন আনন্দময়ী ধর্মশালার ভগ্নদশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন । পরে ধর্মশালার সংস্কার সাধন করে বর্তমান অবস্থায় ফিরিয়ে আনেন । তিনি একবার আমাকে দুঃখ করে বলেছিলেন , বিমানবন্দর সংলগ্ন একটি রাজ করেছি , তৈরী বা মশারি । মশারির গায়ত্রী জিতেন্দ্র জিতেন্ড রাজরা বৎসর । করেন আবাসন ছিল । কোচবিহার সেটিকে রক্ষা করতে পারেননি । বাড়িটি ধ্বংস হয়ে গেছে , – এই বলেই দূরের কোনও স্মৃতিকে হাতড়াতে থাকেন । রাজকুমারী গায়ত্রী দেবী কৈশােরে ঘােড়া নিয়ে ছুটে যেতেন বিমানঘাঁটির মাঠে ,

Cooch behar rajbari DeKhao

সেখানে চক্কর খেতেন ঘােড়া নিয়ে । ব্যথিত হৃদয়ে বলেছেন ঐ বাড়িটি কেন রক্ষা করা যায়নি । এখান থেকে যারা জয়পুরে কাজ করতে যান , তারা কোনও বিপদে পড়লে গায়ত্রী দেবীই সাহায্য করেন । কারণ , এরা বাপের বাড়ির জায়গার লােকজন । যে । এই টান তিনি সবসময় অনুভব করতেন । তাইতাে তিনি শেষ দিকে প্রতিবছর আসার চেষ্টা করতেন । বয়সের কারণে হয়তাে সবসময় সম্ভব হতাে না । তবুও অসুস্থতা নিয়েও এখানে আসতে দেখেছি । গায়ত্রী জানাচ্ছেন ,

এপ্রিলের দুঃসহ গরম এবং ব্যাপক আর্দ্রতার দিনরাত্রি শেষে মে মাসে আকাশ ভেঙে হঠাৎ বৃষ্টি নামত , ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে চলত । এই মৌসুমী বৃষ্টি শুরু হলেই আমাদের এরপর হন । রাত গাইকো ইন্দিরা দে হয় ইংল্য ২০ ডিসে জন্মগ্রহণ খৃষ্টাব্দের । বৎসরকাল কোচবিহার ছাড়ার ঘন্টা বেজে উঠত । ইটে , টিনে আর স্লেটের ছাদে বৃষ্টি পড়লে । রিম ঝিম ঝমঝম কত বিচিত্র যে শব্দ হত । রাতে বিছানায় শুয়ে বৃষ্টির সেই আশ্চর্য শব্দ শুনতাম । দাসীরা ছুটোছুটি করে দরােজা – জানালা বন্ধ করত , রাজকন্যা গায়ত্রী দেবী / ১৪ Cooch behar rajbari

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *